কারামুক্তির পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে কারাগারে গোপনে আটকে রাখার অভিযোগ তুললেও অনুসন্ধানে সেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
অভিযোগকারী জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তানজিলা তাবাসসুম নামে এক শিক্ষার্থীকে গুম করে রাখার কথা বলেন।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে , তানজিলা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী নন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে এই নামে কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরীফ মোশাররফ হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, " বিষয়টি জানার পর আমি খোঁজ নিয়েছি । কিন্তু সমস্ত কাগজপত্র ঘাটাঘাটি করেও এই নামে কাউকে পাওয়া যায় নি। "
এদিকে দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও হোয়াটসঅ্যাপে ভিন্ন ভিন্ন নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে সারাদেশের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তাকে হানি ট্র্যাপে ফেলে পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত করার অভিযোগে তানজিলা তাবাসসুম (২৪) ওরফে সুইটি ওরফে হ্যাপীকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)।
শনিবার (২৭ই ডিসেম্বর) মধ্যরাতে বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় । গ্রেপ্তারকৃত তানজিলা তাবাসসুম মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার পয়সা পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত রুবেল মিয়ার মেয়ে। তিনি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বরপা এলাকা ছাড়াও ঢাকা ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে বসবাস করে এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতেন বলে জানিয়েছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)।
বর্তমানে তানজিলা তাবাসসুম জিএমপির বাসন থানা হেফাজতে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে সর্পোর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসন থানার ওসি হারুন-অর রশীদ।
প্রকাশকঃ শাহিদুর রহমান
মোবাইল 01581-281810
e-mail
newswatch71@gma.com