
গাড়ির কাগজ করানো অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নামে সাধারণ মানুষের পকেটের টাকা নিজের পকেটে নেওয়ার খুবই ভালো দক্ষতা রয়েছে মো. আমিরুল ইসলামের। ঢাকার মিরপুরের বিআরটিএ অফিসে দালালি ও প্রতারণা করে হয়েছেন বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক। সেই সাথে কখনো কখনো নিজেকে পরিচয় দেন বিআরটিএর বড় কর্মকর্তা হিসেবে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী একটি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ প্রায় তিন হাজার টাকার মত আসলেও সেই লাইসেন্স করতে কারো কারো কাছে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকাও নেন আমিরুল। চার পাঁচ গুণ বেশি টাকা নিয়েও অনেকের কাজ ঠিকমতো না করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী এক ব্যক্তির অভিযোগ, আমিরুলের কাছে গাড়ির কাগজ করতে অগ্রিম টাকা দিয়ে প্রায় তিন মাস যাবত তার পেছনে ঘুরছে। তিন মাস সরকারের কাগজ করে দিতে পারেনি আমিরুল। ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে তাও দিতে নারাজ তিনি।
রাজধানীর বনশ্রীর বাসিন্দা রুবেল বলেন, আমিরুল বিআরটিএ তে দালালি করে এটা আমি জানতাম না। তিনি আমাকে বলেছেন তিনি বিআরটিএর বড় কর্মকর্তা। উনার ফাঁদে পড়ে আমি একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স করেছি ১৩ হাজার টাকা খরচ করে।
এসব বিষয় জানতে চাইলে বিআরটিএর এক কর্মকর্তা বলেন, দালালদের দৌরাত্ম আগের থেকে অনেকটা কমেছে। তবে এটা পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। বেশ কিছু দালাল এখনো অফিসের আশপাশে ঘোরাঘুরি করে এবং তারা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে। তবে কেউ এখানে কাজ না করেও বিআরটিএর কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়াটা সম্পূর্ণই প্রতারণার শামিল ও আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রকাশকঃ শাহিদুর রহমান
মোবাইল 01581-281810
e-mail
newswatch71@gma.com