মাগুরার শ্রীপুরে ৮০ বছরের বৃদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধা গ্রেফতারে জনমনে নানা প্রশ্ন
মাগুরা থেকে ফিরে মো: সোহেল রানা
সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত একটি জেলার নাম মাগুরা জেলা। এই জেলার শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলা নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে একটার পর একটা অঘটন ঘটেই চলেছে মাগুরা জেলায়। গত ২৩/০৫/২০২৫ইং তারিখে মাগুরা জেলার দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনী গোপনসুত্রে খবর পেয়ে রাত ৩/৪ টার সময় যৌথ বাহিনীর অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা অতিশয় বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী (৮০) ও তার পুত্র শ্রীপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: জাহাংগীর মুন্সি (৫২) কে।
গ্রেফতারের পর তাদের দখল থেকে দেশী- বিদেশী অস্ত্র উদ্ধার করা হয় মর্মে জানায় যৌথ বাহিনী। এ বিষয়ে শ্রীপুর থানায় মামলা নং ১৭ তারিখ: ২৩/০৫/২০২৫ ইং দায়ের করা হয়। ধারা-১৯(এ) দি আর্মস এ্যাক্ট ১৮৭৮। অতপর: তাদের পিতা পুত্রকে আদালতে চালান করে দেওয়া হয়। আদালতে তাদের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিনের আবেদন না মন্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
সেই থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী ও তার পুত্র জাতীয়য়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো: জাহাংগীর মুন্সী মাগুরা জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন। মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার এই পিতা-পুত্রকে যৌথ বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে শ্রীপুরের অধিকাংশ মানুষ ও বিএনপি নেতা কর্মীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তাদের ভাষ্য: বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী ও তার পুত্র শ্রীপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: জাহাংগীর মুন্সি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। দলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর কাছে মনগড়া অভিযোগ দিয়ে তাদের অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
যেহেতু মাগুরা জেলা বিএনপিতে দুটি গ্রুপ রয়েছে সেহেতু এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে ঘায়েল করার জন্য এই দাবার ঘুঁটি চাল দিয়েছে।
শ্রীপুরের কোন সচেতন মানুষই বিশ্বাস করেন না যে, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী ও তার পুত্র শ্রীপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: জাহাংগীর মুন্সি অস্ত্রবাজী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করেন। তারা এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবী জানিয়েছেন।
প্রকাশকঃ শাহিদুর রহমান
মোবাইল 01581-281810
e-mail
newswatch71@gma.com