সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এবং নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী ও তার স্ত্রী তারাবো পৌরসভার সাবেক মেয়র হাসিনা গাজীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মহাপরিচালক বলেন, গোলাম দস্তগীর গাজীর নামে মোট ৪৪৮ কোটি ৪২ লাখ ১৭ হাজার ৩২ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এই সময়ে তার সর্বমোট গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৪২৪ কোটি ৯০ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫০ টাকা। এক্ষেত্রে তার জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদের পরিমান ২৩ কোটি ৫১ লাখ ৩৩ হাজার ৫৮২ টাকা। এছাড়া তার নিজ ও প্রতিষ্ঠানের নামে ৬টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২৫৭ কোটি ৭৫ হাজার ৪৮৯ টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তর করে আয়ের উৎস আড়াল করেছেন বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে অনুসন্ধন টিমের সুপারিশের আলোকে কমিশন গোলাম দস্তগীর গাজীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় একটি মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গোলাম দস্তগীর গাজীর স্ত্রী তারাবো পৌরসভার সাবেক মেয়র হাসিনা গাজী তার নিজ নামে ১৫ কোটি ৬৯ লাখ ৫১ হাজার ৯৩১ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। তার সর্বমোট গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৬ কোটি ২৭ হাজার ৩৭৬ টাকা। এক্ষেত্রে তার জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদের পরিমান ৯ কোটি ৬৯ লাখ ২৪ হাজার ৫৫৫ টাকা। এছাড়া হাসিনা গাজীর নিজ নামে ৫টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৮ হাজার ৫১৩ টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তর করে আয়ের উৎস আড়াল করেছেন বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে অনুসন্ধান টিমের সুপারিশের আলোকে কমিশন হাসিনা গাজীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় একটি মামলাসহ পৃথক ২টি মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে।
প্রকাশকঃ শাহিদুর রহমান
মোবাইল 01581-281810
e-mail
newswatch71@gma.com