1. admin@newswatchbd.com : admin :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কূটনৈতিক সম্পর্কের অজুহাতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত দলিল ও সত্যকে ভুলবার সুযোগ নেই আন্তর্জাতিক ফাইটারদের হারিয়ে কমব্যাট স্পোর্টসে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান সাংসদ নুরুল ইসলাম নয়ন’র সাথে কানাডা যুবদলের এ.কে আজাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ​১০টি বাউটে মুখোমুখি ৭ দেশ: থাকছে ৫টি মর্যাদাপূর্ণ শিরোপার লড়াই আইসিসিবিতে তিন দিনের পর্যটন মেলা বসুন্ধরা আইসিসিবি প্রাঙ্গণে প্রতি শুক্রবার বসছে আধুনিক ‘সুপার সেল কার বাজার জ্বালানি খাতের সাবেক কর্তাদের নতুন ঠিকানা এজাজের প্রতিষ্ঠান সিন্ডিকেটের সুবিধা দিতেই কি পেট্রোবাংলার ৩০% জামানতের কড়া নিয়ম? ভ্রমণের নানা আয়োজন নিয়ে আইসিসিবিতে বসবে ট্যুরিজম ফেয়ার আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকার অনুসন্ধানে দুদক

লালমনিরহাট ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

 

নিজের আস্থাভাজন অফিস সহকারী হুমায়ুন কবিরকে সুবিধা দিতে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে ভুক্তভোগীর স্বামীকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ উঠেছে  লালমনিরহাট ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা প্রিন্সিপাল রেজাউল করিম’র বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ২০২৪ সালের ২৪ শে জুন’র। সেইদিন রাত আনুমানিক আটটার দিকে লালমনিরহাট ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউ এর বাবুর্চি রোকনের স্ত্রী মেঘলা আক্তার তার বাসায় একা অবস্থান করছিলেন। স্বামী রোকন উক্ত প্রতিষ্ঠানে বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত থাকার কারণে ওই সময় ছিলেন কর্মস্থলে। একই সময়ে অসৎ উদ্দেশ্যে বাবুর্চি রোকনের বাসায় প্রবেশ করেন অফিস সহকারী হুমায়ুন কবির। বাসায় ঢুকে সেখানে একা অবস্থান করা মেঘলা আক্তারের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তার শ্লীলতাহানির সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন হুমায়ুন।

অনেক ধস্তাধস্তি করার পর এবং মেঘলা আক্তারের আত্মচিৎকারের কারণে এক পর্যায়ে হুমায়ুন সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। এ খবর বাবুর্চি রোকনের কাছে পৌঁছাতেই দ্রুত বাসায়  ছুটে যান রোকন। তার স্ত্রী তার গলা ধরে চিৎকার করে কাঁদতে থাকেন আর সব কিছু তাকে খুলে বলেন। সেরাতেই কালিগঞ্জ থানায় একটি জিডি করেন রোকনের স্ত্রী মেঘলা আক্তার।

আর এই ঘটনার পরপরই উক্ত প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে শনির দশা নেমে আসে রোকনের জীবনে। অধ্যক্ষ রেজাউল তার বিশ্বস্ত অফিস সহকারী হুমায়ুনকে বাঁচাতে অমানবিক মানসিক অত্যাচার শুরু করেন বাবুর্চি রোকনের উপর। উত্তপ্ত বাক্য ব্যবহার,যথাসময়ে ছুটি না দেওয়া, সবাইকে ছুটি দিলেও রোকনকে কাজের অজুহাতে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে রাখা এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু করেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম বলে অভিযোগ করেন রোকন।

রোকন জানান, অমাণবিক মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে একসময় চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয় রোকন। একই সাথে হুমায়ুন কবিরের থেকে বিশ হাজার টাকা নিয়ে সেটা রোকনকে দিয়ে জোরপূর্বক থানায় করা জিডিটাও উঠাতে বাধ্য করেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রোকনের কল রেকর্ড পত্রিকা অফিসে সংরক্ষিত আছে।

চাকরি হারা এতিম রোকন বুক ভরা চাপা কান্না নিয়ে আজও বেকারত্বের বোঝা বয়ে বেড়ালেও, মেট্রোরেলে চাকরি হওয়ার সুবাদে স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে সরে গিয়েছেন বলে গুঞ্জন তোলা হয় লালমনিরহাট ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে। যেখানে অধ্যক্ষ রেজাউল করিম সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলে জানা যায়।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অফিস সহকারী হুমায়ুন কবির এ ঘটনার আগে বগুড়া টেক্সটাইল ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময়েও প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যয়নরত একজন ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। ঘটনাক্রমে ওই সময়েও উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন রেজাউল করিম বলে জানা যায়।কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও ওই ঘটনা ধামাচাপা দিতে ব্যর্থ হন রেজাউল করিম পরবর্তীতে যা হেড অফিস পর্যন্ত গড়ায় বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। এ ঘটনার পর হুমায়ুনকে ঠাকুরগাঁও বদলি করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে অফিস সহকারী হুমায়ুন কবিরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট, তিনি বলেন বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সমাধান হয়ে গেছে, ভিকটিম নিজেই আসছিল এসে আপোষ করে নিয়েছে, কোন কিছু না ঘটলে আপোস কেনো এ প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি হুমায়ুন। বগুড়াতে কর্মরত অবস্থায় একজন ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার এ ধরনের কোন রেকর্ড নাই। কথা বলার এক পর্যায়ে তিনি বলেন আপনি আমার প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলেন।

এ বিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ রেজাউল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার অফিসে যেয়ে কথা বলে তার মতামত নেওয়ার জন্য জানান।অধ্যক্ষ রেজাউল এবং অফিস সহকারী হুমায়ুনের বাড়ি একই উপজেলা বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে হওয়ায় তাদের মধ্যে বিশেষ সখ্যতা গড়ে ওঠে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।

যার প্রেক্ষিতে হুমায়ুন অফিস সহায়ক থেকে পদোন্নতি পাওয়ার পরপরই সুকৌশলে আনোয়ার নামের অফিস সহকারীকে লালমনিরহাট ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট থেকে সরিয়ে হুমায়ুনকে আনা হয় বলে জানা যায়। আর তখন থেকেই অত্যন্ত সুকৌশলে ধীরে ধীরে শক্তভাবে রেজাউল হুমায়ূন সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগ ওঠে।

একই সাথে দুর্নীতি ও স্বৈরাচারীতার ইস্টিম রোলার চালানোর বিষয়েও কথা বলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিষ্ঠানটির একাধিক শিক্ষার্থী ও কর্মচারী, কর্মকর্তা। রেজাউল হুমায়ূন সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত পরবর্তী পর্বে।

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নিউজ ওয়াচ বিডি
প্রযুক্তি সহায়তায় নিউজ ওয়াচ বিডি