1. admin@newswatchbd.com : admin :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কূটনৈতিক সম্পর্কের অজুহাতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত দলিল ও সত্যকে ভুলবার সুযোগ নেই আন্তর্জাতিক ফাইটারদের হারিয়ে কমব্যাট স্পোর্টসে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান সাংসদ নুরুল ইসলাম নয়ন’র সাথে কানাডা যুবদলের এ.কে আজাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ​১০টি বাউটে মুখোমুখি ৭ দেশ: থাকছে ৫টি মর্যাদাপূর্ণ শিরোপার লড়াই আইসিসিবিতে তিন দিনের পর্যটন মেলা বসুন্ধরা আইসিসিবি প্রাঙ্গণে প্রতি শুক্রবার বসছে আধুনিক ‘সুপার সেল কার বাজার জ্বালানি খাতের সাবেক কর্তাদের নতুন ঠিকানা এজাজের প্রতিষ্ঠান সিন্ডিকেটের সুবিধা দিতেই কি পেট্রোবাংলার ৩০% জামানতের কড়া নিয়ম? ভ্রমণের নানা আয়োজন নিয়ে আইসিসিবিতে বসবে ট্যুরিজম ফেয়ার আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকার অনুসন্ধানে দুদক

সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

হাবিবুর রহমান বাবু
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
Oplus_131074

 

পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে তিন কোটি ৭৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

বুধবার (৫ ফেব্রুআরি)  বিকেলে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।

তিনি জানান, ভুয়া বাড়ি ভাড়া চুক্তিনামা দেখিয়ে আসামি শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম ১ কোটি ৯২ লাখ টাকা বা প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার ৩০৮ মার্কিন ডলার ঘুষ গ্রহণ করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ভুয়া পণ্য বিক্রয় চুক্তি দেখিয়ে পণ্য রপ্তানির কৌশলে ১ কোটি ৮৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২০ টাকাসহ তিন কোটি ৭৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম ২০২০ সালের ১৭ মে থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় আসামির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি মোনার্ক হোল্ডিং ইন-এর অর্থ আসে।

মহাপরিচালক আরো জানান, ২০২০ সালের জুলাই মাসে আসামির সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি হিসাবে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব থেকে ৪টি ট্রান্সজেকশনের মাধ্যমে মোট এক কোটি ৯২ লাখ টাকা জমা হয়। আসামি ২০২০ সালের ১৩ জুলাই এ অর্থ উত্তোলন করেন। ব্যাংকের প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের ঘোষণা ফরমে তিনি এ অর্থকে পারিবারিক খরচ ঘোষণা করেন।

এ অর্থকে ঘুষ দাবি করে এজাহারে বলা হয়, গৃহীত ঘুষকে বৈধতা দিতে আসামি জাভেদ এ মতিনের সঙ্গে একটি ভুয়া বাড়িভাড়া চুক্তি করেন। পরবর্তীকালে আসামি শিবলী রুবাইয়াত আসামি জাভেদ এ মতিন গংদের নামে মোনার্ক হোল্ডিংস লিমিটেড নামে ২০২১ সালের ডিসেম্বর ব্রোকার হাউজের লাইসেন্স দেন।

এজাহারে বলা হয়, আসামি মো. আরিফুল ইসলামের ঝিন বাংলা ফেব্রিক্স নামীয় ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে ১/কলমা, সাভার (শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের একটি বাড়ি) এ ঠিকানায় নিজ নামে ব্যবসার অনুমোদন নেন। ঝিন বাংলা ফ্রেব্রিক্স নামীয় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হিসাব পরিচালনাকারী অন্য আসামি শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।

ঝিন বাংলা ফেব্রিক্স ২০২০ সালের জুলাই মাসে মোনার্ক হোল্ডিংস ইন চুক্তি করে। যেখানে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে শিপমেন্টে ১ লাখ ৪৫ হাজার ইউএসডি এবং ৩০-৯-২০২০ এর শিপমেন্টে ২ লাখ ১৬ হাজার ইউএসডি মূল্যের পণ্য রপ্তানির উল্লেখ রয়েছে।

তবে ঝিন বাংলা ফেব্রিক্সের মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি দিলকুশা শাখার ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২০ সালের ১৭ জুলাই ২ লাখ ১৬ হাজার মার্কিন ডলার ও ২০ জুলাই ১ লাখ ৪৫ হাজার মার্কিন ডলারসহ মোট ৩ লাখ ৬১ হাজার ডলার জমা হয়।

ওই সময়ে ঝিন বাংলা ফেব্রিক্সের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স (২০২০ সালের) ব্যতীত এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো, রপ্তানি নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র, আমদানি নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র, বিজিএমইএ সদস্য সনদ, পরিবেশ ছাড়পত্র বন্ডেড ওয়ার হাউজ-এর অনুমোদন ছিল না। অর্থাৎ পণ্য রপ্তানির কোনো বৈধ কাগজপত্র ঝিন বাংলা ফেব্রিক্সের ছিল না।

এজাহারে আরও বলা হয়, আসামি শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম তার নিয়ন্ত্রণাধীন শেল কোম্পানির (জিন বাংলা ফেব্রিক্স) ব্যাংক হিসাবে প্রাপ্ত অর্থ থেকে ৮৯ লাখ ২৬ হাজার ২৯৬ টাকা নিজের সৃষ্ট ঋণ হিসেবে পরিশোধ করেন। ওই জমাকৃত অর্থ থেকে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম তার নিয়োগকৃত বাহক জনৈক দেলোয়ারের মাধ্যমে নগদে প্রায় ৯৫ লাখ ২ হাজার ৫২৪ টাকা উত্তোলনপূর্বক নিজে গ্রহণ করেন। অর্থাৎ কোম্পানির হিসাবে আসা ৩ কোটি ৬ লাখ ২৭ হাজার ২৪০ টাকার মধ্যে তিনি ঋণ পরিশোধ ও নগদ হিসেবে ১ কোটি ৮৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২০ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন।

অবশিষ্ট টাকা তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পুনরায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ প্রেরণকারী আসামি জাবেদ এ মতিনের বাংলাদেশি মার্চেন্ট ব্যাংকিং হিসাবসহ তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে জমা নিশ্চিত করেন।

শিবলী রুবাইয়াত ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মোনার্ক হোল্ডিং ইনকরপোরেশনের চেয়ারম্যান জাবেদ এ. মতিন, ঝিন বাংলা ফেব্রিক্সের মালিক আরিফুল ইসলাম, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এফএভিপি ইসরাত জাহান, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখার অপারেশন ম্যানেজার ইকবাল হোসেন এবং ব্যাংকটির এসইভিপি, অডিট অ্যান্ড ইনপেকশন ডিপার্টমেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক সৈয়দ মাহবুব মোরশেদ।

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নিউজ ওয়াচ বিডি
প্রযুক্তি সহায়তায় নিউজ ওয়াচ বিডি