1. admin@newswatchbd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অনুমোদন নেই রিফাইনারির, তবু ১২ লাখ টন ক্রুড আমদানির উদ্যোগ বাসাবোতে সংঘবদ্ধ হামলার শিকার জবি শিক্ষার্থী,গুরুতর আহত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্নমত দমনের অভিযোগ, বাংলাদেশের প্রতি এইচআরডব্লিউর সতর্কবার্তা ​ফুটবলের উত্তেজনায় মুখরিত কিংস অ্যারেনা: শিরোপা জিতল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জে নজিরবিহীন সাইবার চুরি শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএসসিসি এলাকায় ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু মাদক নির্মূল করতে পারলেই নিরাপদ হবে বাংলাদেশ সেই দুর্নীতিবাজ জামানুর এখন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী! রিয়েল ক্যাপিটা গ্রুপের “RCG বর্ষপূর্তি মেলা-২০২৬”-এর শুভ উদ্বোধন হকার সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন পরিকল্পিত পুনর্বাসন

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে ফুলের উৎপাদন কমছে

মোঃ হাবিবুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫

প্রকৃতিজুড়ে গ্রীষ্মের আবহ উপলব্ধি হলেও এখনো চলছে বসন্ত। বসন্ত মানেই প্রকৃতির প্রাণপল্লবে প্রসূণের হাতছানি। সবুজ কচিপাতার পাশাপাশি বাগানে হরেক রকমের বাহারি ফুল দোলে এই বসন্তে। দেশি তো বটেই, দেখা মেলে বিদেশি ফুলের সমারোহ। কিন্তু জলাবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে প্রকৃতি বিরূপ আচরণ শুরু করেছে। এতে প্রকৃতির অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশি ফুলের উৎপাদনও কমে গেছে।

সম্প্রতি সাভারের গেন্ডা এলাকার গোলাপ গ্রামে সরেজমিনে দেখা যায়, ফাগুনের প্রাণখোলা হাসি যেন বাগান জুড়ে। গোলাপের কুঁড়িতে কুঁড়িতে লেগেছে খুশির দোল। গাঁদা, গোলাপ, জারবারা, স্টার, রজনীগন্ধা, চন্দ্রমল্লিকা, গ্লাডিওলাসসহ নানা জাতের ফুল ফুটে আছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হচ্ছে, তারপরেও হাসি নেই ফুলচাষীর মুখে। বরং, চোখে-মুখে হতাশার ছাপ।

২১ বছর ধরে ফুল চাষ করেন মুসা মিয়া। সারাবাংলার এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘যা ফুল দেখতাছেন, এগুলা তো কিছুই না। আমি ১০ বছর আগে পাঁচ বিঘা জমিতে যে ফুল উৎপাদন করতাম, এখন সেই তুলনা কিছুই হয় না। গত পাঁচ বছর ধরেই ফুলের উৎপাদন কমা শুরু করছে। সেই দুঃখ আপনারা বুঝবেন না।’

একই কথা বললেন গোলাপ চাষি আলী মোহাম্মদ। সারাবাংলাকে তিনি বলেন, ‘অজানা কোনো এক রোগে দ্রুতই গোলাপ ঝরে যাচ্ছে। আবার ফুটছেও দেরিতে। তাই বিশেষ উৎসবের আগেই ফুল তুলে ফেলতে হচ্ছে। বসন্তকালেই আমাদের ব্যবসা ভালো হয়। এর পর বৈশাখে কিছুটা লাভ করি। কিন্তু, বৈশাখের আগেই অনেককে ফুল তুলে ফেলতে হচ্ছে। এ ছাড়া, অনেক ডালে ঠিকমতো ফুলই হচ্ছে না। বৃষ্টির সময় বৃষ্টি হয় না, যখন রোদ দরকার তখন রোদ হয় না। মাটি ঠিক মতো উর্বর হয় না। এসব কারণে ফুলের উৎপাদন কমে যাচ্ছে।’

এ বিষয়ে কথা হয় বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটি ও শাহবাগ ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শ্রী বাবুল প্রসাদের সঙ্গে। সারাবাংলাকে তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ফুল উৎপাদন কমতে শুরু করেছে। আমরা প্রথম ও সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খাই ২০০৭ সালের সিডর-এ। সে সময় ফুলের বাগান, খেত সব পানিতে ভেসে যায়। সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে আমাদের বেশ সময় লেগেছিল। কোনোরকমে সেই বিপদ কাটিয়ে উঠেছিলাম। এর পর ফলনও ভালো হচ্ছিল। কিন্তু ২০১৯ সালে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আমাদের দ্বিতীয় ধাক্কাটা দেয়। যে কারণে ফের ফুল উৎপাদন কমে যায়। এর পর মাটি তার উর্বরতা হারিয়ে ফেলে।’

তিনি বলেন, ‘বর্ষাকালে বৃষ্টি হচ্ছে না, শীতের সময় গরম। বসন্তকালে হঠাৎ-ই কালবৈশাখী আসছে। এমন ঋতু পরিবর্তনের কারণে ঠিক মতো পুষ্টি ও উর্বরতা পাচ্ছে না ফুল গাছগুলো। মাটি থেকে যে প্রাণশক্তি তাদের পাওয়ার কথা, সেটাও নিয়মিত পাচ্ছে না। বা বলা যায়, একটা গাছের জন্য যে চাহিদা, সেগুলো ঠিকমতো সঞ্চালন করতে না পারায় ফুল ঠিকমতো ফুটছে না। আবার বসন্তে যে ফুল ফোটার কথা, তা আগেই ফুটে ঝরে যাচ্ছে। আবার যে গাছে সারাবছরই ফুল ফোটে সেই গাছেও ছয় মাস ফুল নাই। ডালগুলোও ফুল না দিয়েই মরে যাচ্ছে। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনই আমাদের ফুল উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে।’

বাবুল প্রসাদ আরও বলেন, ‘ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীরা আরও একটি বড় ধাক্কা খায় করোনার সময়। এই সময় ঠিক মতো ফুল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। আবার গাছের ফুল গাছেই মরে গেছে। চাষীরাও শাটডাউনের কারণে ঠিকমতো চাষাবাদ করতে পারেনি। সবমিলিয়ে ফুল উৎপাদন গত ১০ বছরের তুলনায় কম।’

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নিউজ ওয়াচ বিডি
প্রযুক্তি সহায়তায় নিউজ ওয়াচ বিডি