
নিজের জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ, জন্মের আগে থেকেও যার সঙ্গে নাড়ির টান, সেই প্রিয় মানুষ জন্মদাত্রী মাকে হারিয়েছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তার মা নন্দিতা সেনগুপ্ত। মায়ের বকা দেওয়া ফোনটা যে আর কোনোদিন আসবে না, বলতে বলতেই কেঁদেছেন ঋতুপর্ণা।
কলকাতার গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, অনেক দিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন অভিনেত্রীর মা। এর আগে ঋতুপর্ণা জানান, ডায়ালাইসিসের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তার মাকে। ৭৭ বছরের নন্দিতা দেবী আরও একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায় একমাস ধরে হাসপাতালে ছিলেন তিনি। মায়ের মৃত্যুর পর ঋতুপর্ণা বলেন, মা চলে গেলে কি আর কিছু বলা যায় ? এক মাস ধরে মা যুদ্ধ করছিল। ডাক্তাররা অনেক চেষ্টা করেছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞ। আত্মীয় – পরিজন সবাই খোঁজ নিয়েছেন। আশা করি মা যেখানেই আছে শান্তিতে থাকবে।
ঋতুপর্ণার কথায়, মা – বাবার তো কোনো বিকল্প হয় না। এখনও মা আমাকে শাসন করতো, বকাবকি করতো। কয়েকদিন আগেই বলেছিল, এখনও আসছো না তুমি, এখনও আসছো না! মায়ের এই ফোনটা তো আর কোনোদিন আসবে না। যারা মা হারিয়েছেন তারা জানেন। যাদের মা আছে খুব যত্ন করে রেখো মাকে।
ঋতুপর্ণার মা নন্দিতা তার পরিবারে রেখে গেছেন এক কন্যা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, জামাই সঞ্জয় চক্রবর্তী, ছেলে প্রদীপ্ত সেনগুপ্ত, বউমা রোসেলি সেনগুপ্ত ও নাতি – নাতনিদের। নিজের মায়ের খুব কাছের ছিলেন ঋতুপর্ণা।