
স্বৈরাচারের দোসর সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের অতি ঘনিষ্ঠ এবং তার পিএস কামালের বন্ধু সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মোঃ তৌফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া এখনো বহাল তবিয়তে। পেয়েছেন প্রাইস পোষ্টিং। তার বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সহকারী পরিচালক কুমিল্লা থাকা কালীন কেনাকাটা/নিয়োগ/ বদলী/টেন্ডার জালীয়াতি/ মনোহর গঞ্জ নতুন ফায়ার সার্ভিস নির্মাণ/কুমিল্লা ফায়ার ষ্টেশনের ভিতর রাস্তা নির্মাণে দূর্নীতি। মসজিদ নির্মাণের নামে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ হতে তোলা বাজী।ফায়ার লাইসেন্স/সেফ্টিপ্ল্যান সহ কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের কাছ হতে টাকার বিনিময়ে ছুঁটি দেওয়া এবং একজন পুলিশ অফিসারের সাথে অশোভন আচরণ করায় কুমিল্লা হতে সিলেট বদলী করা হয়।
তার বিরুদ্ধে নারীঘটিত অভিযোগ রয়েছে। যা স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সাল হতে ২০২০ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রামের তৎকালীন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের সাথে পারিবারিক সম্পর্ক ছিল তার। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার আপন ছোট ভাই সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে ষ্টেশন অফিসার হিসেবে চাকরি দেন এবং তার স্ত্রীকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে হাইস্কুলে চাকুরি দেন।তিনি বদ মেজাজের লোক।স্টাফদের গালিগালাজ ও গায়ে হাত তুলেন।
তার আপন ছোট ভাই বতর্মানে ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে চট্টগ্রামে কর্মরত আছেন। আপন দুই ভাই কিভাবে একই দপ্তরে পদায়ন করা হয়? এটা এখন বিরাট প্রশ্ন।
তিনি কথায় কথায় তখন বলতেন ব্যারিষ্টার সুমন আমার বন্ধু এ পরিচয় দিয়ে সিলেটে অনেক অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। বতর্মান ডিজির স্টাফ অফিসার আরমান ও উপসহারী পরিচালক শাহাজান সিকদার এই দুই জন অবৈধ অর্থের বিনিময়ে চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক আনোয়ারকে সিলেটে বদলি করে তৌফিকুল ইসলাম ভূইঁয়াকে পুনরায় চট্টগ্রামে বদলি করিয়েছেন।
যদি সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন আওয়ামী লীগের লোক হয়ে বদলি করা হয় তাহা হলে যে আওয়ামী লীগের পরিবারের সদস্য সে কিভাবে চট্টগ্রামে বদলি হয়। তৌফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার তদন্ত করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের কর্মচারিদের পক্ষ হতে দাবি জানানো হয়েছে।
তিনি সিলেটে বদলি হওয়ার পর নিয়মিত অফিস করতেন না আওয়ামীলীগের এমপি /মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতাদের সাথে ঢাকা চট্টগ্রাম সময় দিতেন। তাদের প্রশ্রয়ে সিলেট ফায়ার সার্ভিসে ও লক্ষ লক্ষ টাকা নয়ছয় ও নিয়োগ/ বদলী বাণিজ্য করেছেন।
বর্তমান সরকার ক্ষমতা আসার পর তাকে অন্যত্র দূরবর্তী স্হানে বদলীর করার কথা থাকলে তাকে পুরস্কার হিসেবে চট্টগ্রামে এডিপদসহ ডিডির শূন্য পদের দায়িত্ব দেওেয়া হয়।