
দুর্গাপূজায় খুলনায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আর উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন ঘিরে তিন স্তরের পুলিশি নিরাপত্তার উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। নগরীর ১২৪টি পূজামণ্ডপের ৬৯টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৫৫টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে সাদা পোশাকে পুলিশি টহল, ট্রাফিক ব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং মাদকের অপব্যবহার রোধে সাঁড়াশি অভিযান থাকবে।শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সোমবার (২ অক্টোবর) মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন কেএমপির কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সোমবার (২ অক্টোবর) মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন কেএমপির কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক।
সোমবার (২ অক্টোবর) মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপনের লক্ষ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে দুটি কমিটি গঠন করা হবে। আগামী ২০ অক্টোবর মহাষষ্ঠী থেকে ২৪ অক্টোবর দশমী পর্যন্ত মহানগরীতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপন উপলক্ষে খুলনা মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতারা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তাবিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কেএমপির পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তর উৎসবে সব সন্ত্রাস মুক্ত, সাম্প্রদায়িকতামুক্ত, সম্পূর্ণ নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যেসব জায়গায় প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে, আমরা সেখানে নিরাপত্তার জন্য পাহারা দিচ্ছি। খুলনা মহানগরীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদ্যাপন করতে পারে; সে জন্য আমরা ষষ্ঠী থেকে বিসর্জন পর্যন্ত সার্বিক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখব।’