
ভূয়া প্রতিষ্ঠানের জন্য ঋনের নামে ইসলামী ব্যাংকের ৯৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে নাবিল গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ৩১ জুলাই বিকেলে সংস্থাটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সংস্থার মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন।
জানা যায়, বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসায়ী গ্রুপ নাবিল। প্রথমে রাজশাহী কেন্দ্রিক ব্যবসা শুরু হলেও এক সময় ব্যবসার প্রসার ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। পর্যালোচনা করে দেখা যায় এস আলম গ্রুপের সাথে নাবিলের ছিল আত্মিক সম্পর্ক। সে সম্পর্কের রেশ ধরেই ইসলামী ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে নাবিল গ্রুপ।
তবে, আওয়ামী লীগের আর্শিবাদপুষ্ট হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে নাবিল গ্রুপ ছিলো ধরাছোয়ার বাইরে।
৫ আগন্ট শেখ হাসিনার পতনের পর আওয়ামী লীগের অর্থদাতা হিসেবে পরিচীত বিভিন্ন ব্যবসায়িক গ্রুপের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। গঠন করা হয় নাবিলসহ ১১ ব্যবসায়িক গ্রুপের অনুসন্ধানে একটি ট্রাস্কফোর্স।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, এস আলমের দখল করা ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণের নামে হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ এর সত্যতা। দুদক বলছে, ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে নাবিল গ্রুপ আত্মসাৎ করেন করেন ৯৫০ কোটি টাকা। এই আত্মসাৎ এর সাথে সংশ্লিষ্ট ৩০ জনকে আসামী করে মামলা করেছে দুদক।
এদিকে, ইউসিবি ব্যাংক থেকে কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে একইদিনে মামলা হয়েছে সাবেক ভুমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান’সহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে।
এছাড়াও, ১৩৪ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনে অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় জৈষ্ঠ সাংবাদিক মুন্নি সাহাকে।