
১০ ডিসেম্বর মাঝ রাতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ফরিদপুর জেলার সালথা থানার মামলা নং-০১, তারিখ- ০৩/১১/২০২৩ ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সং/২০০৩) এর ৭/৯(১); অপহরণ করতঃ ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় পলাতক প্রধান আসামি ধর্ষক মোঃ আকমত (৩২),কে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত আকমত সালথা থানার কালাইর গ্রামের মোঃ করিম মিয়ার ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি উক্ত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার সত্যতা স্বীকার করেছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী আকমত ভিকটিম (২৪) এর প্রতিবেশী। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে আসামী আকমত বেশ কিছুদিন যাবৎ ভিকটিমের চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করতে থাকে এবং প্রায়ই ভিকটিমকে কু-প্রস্তাব দিত এবং আকমতের কু-প্রস্তাবে রাজি না হলে আকমত ভিকটিমকে তুলে নিয়ে যাবে বলে হুমকি প্রদান করতো।
ভিকটিম বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে আসামী আকমত ভিকটিমের প্রতি আরো ক্ষিপ্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০১/১০/২০২৩ ইং তারিখ সকাল অনুমানিক ১০:০০ ঘটিকায় ভিকটিম তার মেয়েকে কাঠিয়ারগট্টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ফরিদপুর জেলার সালথা থানাধীন কাঠিয়ারগট্টি এলাকায় পৌঁছালে সেখানে পূর্ব থেকে ওতপেতে থাকা গ্রেফতারকৃত আসামী আকমত ও তার অপর ৪/৫ সহযোগীরা মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জোরপূর্বক ভিকটিমকে অপহরণ করে একটি অজ্ঞাতনামা সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়।
এরপর ভিকটিমকে ঘোড়াদহ এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। অতঃপর আসামী আকমত ভিকটিমকে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে একাধিকবার তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সংক্রান্তে কোর্টের আদেশে ফরিদপুর জেলার সালথা থানার মামলা নং-০১, তারিখ-০৩/১১/২০২৩ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সং/২০০৩) এর ৭/৯(১) মুলে একটি অপহরণ করে ধর্ষণ মামলা রুজু হয়। মামলা রুজুর পর থেকে ধৃত আসামী আত্মগোপনে চলে যায়।গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।