৩৬২ প্যাভিলিয়ন ও স্টল
এবার মেলায় ৩৬২টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫১টিই দেশীয় প্রতিষ্ঠানের স্টল-প্যাভিলিয়ন। বাকি ১১টি স্টল ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার। দেশীয় উৎপাদক-রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে শত ভাগ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এসব বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশীয় বস্ত্র, যন্ত্রপাতি, ফার্নিচার, কার্পেট, প্রসাধনসামগ্রী, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য, আসবাব, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, চামড়া, আর্টিফিশিয়াল চামড়া, জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, খেলার সামগ্রী, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামিন, পলিমার, হারবাল, টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, ফাস্ট ফুড, হস্তশিল্পজাত পণ্য, গৃহসজ্জার উপকরণ ইত্যাদি মেলায় প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে।
মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের পোশাক, যন্ত্রপাতি, ফার্নিচার, কার্পেট, প্রসাধনসামগ্রী, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য, আসবাব, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, ফার্নিচার, ক্রোকারিজ ও বিভিন্ন ধরনের পণ্যে নির্ধারিত মূল্যের ওপর শতকরা ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, যমুনা গ্রুপের যমুনা ইলেকট্রনিকসের বিভিন্ন পণ্যে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের সব পণ্যে ১২ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নাভানা ফার্নিচার, ব্রাদার্স ফার্নিচার ও নাদিয়া ফার্নিচারে ছাড় আছে।
মেলার মূল অংশের ডান পাশে কয়েকটি পোশাক ব্র্যান্ডের স্টল রয়েছে। এসব স্টলে বিভিন্ন রকমের ছাড়ে পণ্য বিক্রি হচ্ছে। মেলার সামনের অংশে বাসনকোসনসহ ক্রোকারিজ, বস্ত্রসামগ্রী ও খাবারের কিছু স্টল রয়েছে। এর মধ্যে রাইস কুকার, গ্যাসের চুলাসহ নানা গৃহস্থালিসামগ্রী পণ্য ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে। মেলায় বস্ত্রখাতের স্টলগুলোতে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়ে বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যাচ্ছে।



















