1. admin@newswatchbd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাঠের বাইরে সবচেয়ে বড় ম্যাচ: ক্ষমতা বনাম ফুটবল যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম জবিতে ফুটবল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠান, উদ্যোগ জকসুর দেশ বাঁচাতে বিভক্তি নয়, প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ধুপখোলা মাঠ হারানোর আশঙ্কা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেমের দুর্নীতির আমলনামা দগ্ধ রাকিবের চিকিৎসায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের সহায়তা কানাডার স্কারবোরো সেন্টারে তিনদিন ব্যাপী মাল্টি কালচারাল প্রোগ্রাম ‘টেস্ট অব লরেন্স’ শুরু বিআইডব্লিউটিএতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিকে প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) পদে বসাতে কয়েক কোটি টাকার মিশন গণঅভূত্থানের দুই বছর, এখনো ফ্যাসিবাদের দোসরদের দখলে বিসিক

মধুমতি নদী এখন বালু উত্তোলনকারিদের দখলে

মাগুরা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৩

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় মধুমতী নদীর যেখানে সেখানে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে অবাধে। চক্রের সদস্যরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে পারে না বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রশাসন বলছে, অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন তারা।

উপজেলার শিরগ্রাম খেয়াঘাট, পাল্লা খেয়াঘাট, কাশিপুর, বাবুখালী, হরিনাডাঙ্গা, রায়পুর, দাতিয়াদহ, হরেকৃষ্ণপুর, চরঝামা, চরপাচুড়িয়া, কালিশংকরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে মধুমতী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে। যে কারণে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ, ফসলি জমি ও নদী পাড়ের হাজারো মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েক বছর ধরে মধুমতী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় একটি চক্র। ওই চক্রের নেতৃত্ব দেন হরেকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. মাসুদ রানা ও বাউজানি গ্রামের মো. ওবায়দুর।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মধুমতী নদীর চরপাচুড়িয়া এলাকা থেকে একসঙ্গে ১০-১২টি অবৈধ ট্রলিতে বালু কাটছেন শ্রমিকেরা। ঘটনাস্থলে ১ জন বালু কাটার শ্রমিক বলেন, আমরা দিন হাজিরাতে কাছ করি। মাসুদ ভাই আমাদেরকে প্রতিদিন ৫শ করে টাকা দেয়। আমরা তার হয়ে কাজ করি। চর ইজারা নেওয়া কী না জানতে চাইলে শ্রমিক’রা বলেন, এ ব্যাপারে তারা কিছু  জানেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ১০০ ছোট ট্রাকে বালু পরিবহন করা হয়। মধুমতী নদীর প্রায় ২০ পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন করা হয়। প্রতি ট্রাকে গড়ে ২০০ ঘনফুট বালু ধরে। এক ট্রাক বালু বিক্রি হয় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেড় লাখ টাকার বালু বিক্রি করছেন এসব প্রভাবশালীরা। বছরে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। অথচ সরকার বঞ্চিত হচ্ছেন মোটা অংকের রাজস্ব থেকে।

নদীপাড়ের বাসিন্দা চরপাচুড়িয়া গ্রামের লতিফ শেখ বলেন, যেখান থেকে বালু উত্তোলন করছে সেই জায়গায় আবার ফেলছে এতে নদী ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারণ করছে এবং বাঁধ, ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি হুমকিতে পড়েছে। আমাদের ঘরবাড়ি সব নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

একই গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, এজাজুল করিম ও মো. ইউনুস মোল্লা বলেন, আমরা কিছু  বলতে গেলে মো. মাসুদ রানা ও তার লোকজন হুমকি-ধমকি দেয়।
ইউএনও অফিস ও এসি ল্যান্ডের অফিসের ভয় দেখায়।
এমন কী গায়ে পর্যন্ত হাত তোলে। ভুক্তভোগীরা এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পলাশ মন্ডল বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে। অফিস থেকে কাউকে নদী থেকে বালু কাটতে লিখিত বা মৌখিক কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদি কেউ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি।

 

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নিউজ ওয়াচ বিডি
প্রযুক্তি সহায়তায় নিউজ ওয়াচ বিডি