
মোঃ আল হেলাল (হিল্লোল) একজন ব্যাংক কর্মকর্তা আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ছিলেন বগিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ছায়া নেতা।
এ সময় মাগুরার মাফিয়া ডন সাইফুজ্জামান শিখরের সাথে মিলে ক্ষমতার সীমাহীন অপব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দল দুর্বৃত্তদের ব্যবহার করে থানা পুলিশ এমন কি আইন আদালতকেও অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেছেন তিনি।
তিনি তার আপন চাচা এবং দাদীকে তার দাদার সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করেছেন ও আপন ফুফুদের সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করেছেন।
তার চাচাতো ফুফুদের জমি জোর পূর্বক দখল করা এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে।
তার বাবা-শওকত মোল্লা আওয়ামী ইউনিয়ন- সভাপতি থাকায় সেই শক্তিতেই ইসহাক মৌলভীকে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ দিকে তাকে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি বানিয়ে দেন।
বগিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা নিজাম চেয়ারম্যানকে টাকা এবং আওয়ামী শক্তির প্রভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাঁটিয়েছেন।
তার নিজের ভাই কল্লোলকে সাবেক এমপি শেখরের ছত্রছায়ার চেয়ারম্যান বানানোর জন্য আওয়ামী লীগ ব্যানারে পোষ্টার ছাপিয়ে এলাকায় পোষ্টারিং করেন। ভাড়াটিয়া লোক এনে বিশাল শোডাউন করেন।
আওয়ামী এমপি-শেখরের মুরগীর খামারের সাথে যৌথ বিনিয়োগে নিজে বিশাল মুরগীর ফার্ম স্থাপন করেন। যে টাকার কোন বৈধ উৎস নেই। আওয়ামী লীগ আমলে অবৈধ পথে টাকা ইনকাম করে ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনেছেন এবং ব্যাংকে কোটি টাকা ডিপোজিট করেছেন।
অবৈধ টাকার প্রভাবে এলাকার মানুষের সাথে প্রভুর মত আচরণ করেন এবং তাদেরকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করেন।বর্তমানে মাগুরা জেলা বিএনপির একজন বড় নেতাকে ৫ লাখ টাকা দিয়ে নিজেদের বিএনপি দলীয় লোক বলে এলাকায় প্রচার করছেন।
আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের চাকুরীর সুবাদে বড় বড় লোন বিতরণে অনিয়ম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি যে শাখায় চাকুরী করেন ঐ শাখা অডিট করলেই বিষয়টি ধরা পড়বে।
ব্যাংকের বড় পদে চাকুরীর সুযোগ নিয়ে তিনি বিদেশে হুন্ডি কারবার ও টাকা পাচারে জড়িত বলে তথ্য পাওয়াগেছে।