
অহেতুক ভয় পাওয়াটাই হচ্ছে ‘মনোফোবিয়া’, এটিও একটি জটিল সমস্যা। এটি উচু তলা আর নিচু তলার মানুষ চেনে না, সব শ্রেণীতেই দাবড়ে বেড়ায়। অনেকেই এই সমস্যাটি চিহ্নিত করতে না পেরে সমাজে পিছিয়ে পড়েন। ভয়ে আড়ষ্ট থাকেন। আবার অনেকে মনে করেন এটি হয়তো ‘সিজোফ্রেনিয়া’। না আদতে মনোফোবিয়া কোনো অবস্থাতেই সিজোফ্রেনিয়া নয়।মনোফোবিয়াকেও জয় করা যায়, যদি সঙ্গী হিসেবে ‘নেহা কাজি’র মতো সাহসী কেউ পাশে থাকেন…।
নেহা কাজি মনে করেন- মনোফোবিয়া দূর করতে হলে সোস্যাল ট্যাবু ভাঙতে হবে। সচেতনভাবে এগিয়ে আসতে হবে সমাজের প্রত্যেক স্তর থেকে। প্রচার করতে হবে গণমাধ্যমে, সহজ ভাষায় লিখতে হবে মনোফোবিয়া নিয়ে গল্প-উপন্যাস। অভয়ের গান শুনিয়ে দূর করতে হবে অহেতুক ভয়, করতে হবেই মনোফোবিয়া জয়। নেহা কাজি মাথিয়ারার মেয়ে, যিনি মনোফোবিয়া জয়ের লড়াইয়ে বিজয়ী এক যোদ্ধা। তাকে নিয়েই উপন্যাসিক তানভীর আলাদিনের লেখা উপন্যাস ‘মাথিয়ারার মেয়ে’।
এটি আগামী বইমেলায় আসছে সাহিত্যদেশ প্রকাশনী থেকে। এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন শিল্পী ফাহাদ হাসান কাজমী। উৎসর্গ করেছেন এ প্রজন্মের মাদার তেরেসা খ্যাত জয়ীতা মঞ্জিলা মিমি’কে। উপন্যাসটির গায়ের দাম-৩০০/-টাকা।
উপন্যাসিক তানভীর আলাদিন বলেন, আমি ঠিক জানি না, আমাদের দেশে ‘মাথিয়ারার মেয়ে’ উপন্যাসটির আগে মনোফোবিয়া সমস্যা নিয়ে কোনো গল্পগ্রন্থ কিংবা উপন্যাস লেখা হয়েছে কী-না। যদি হয়ে থাকে তাহলেতো ভালো কথা, আমার ‘মাথিয়ারার মেয়ে’ সেখানে আরেকটা সংযোজন হলো। তবে তিনি মনে করেন- মনোফোবিয়া নিয়ে আরো বেশি লেখা-লেখির প্রয়োজন আছে। তাহলে আমরা অনুধাবন করতে পারবো এই সমস্যাটা এই সমাজে কতোটা প্রকট, যা একটু-একটু ভালোবাসার পরিচর্যা দিয়ে সারিয়ে তোলা সম্ভব।
-হাবিবুর রহমান বাবু
খিলগাঁও, ঢাকা।