
ভুক্তভোগী মোঃ নূরুন্নবী কর্তৃক যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মোঃ আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে পেনশন ও বেতন সমতাকরণ নথি আটকে রেখে ঘুষ দাবি সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির পর বিষয়টি প্রাথমিকভাবে যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা পায় দুদক।
এরই প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদনক্রমে একটি ফাঁদ মামলা পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে অভিযোগকারীর কাছ থেকে ১,২০,০০০/- (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকা গ্রহণ করে ০৭ জানুয়ার দুপুর আনুমানিক ১.৩০ ঘটিকায় নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ইনভেন্টরি প্রস্তুতপূর্বক অভিযোগকারীর জিম্মায় প্রদান করা হয়।
পরবর্তীতে একই তারিখ বিকাল আনুমানিক ৪.৩০ ঘটিকায় অভিযোগকারী আসামী মোঃ আশরাফুল আলমের অফিস কক্ষে উপস্থিত হয়ে তার ঘুষ দাবির প্রেক্ষিতে উক্ত ১,২০,০০০/- টাকা প্রদান করেন ভুক্তভোগী। আসামী ওই টাকা গ্রহণ করে তার অফিস টেবিলের ডান পাশের ড্রয়ারে সংরক্ষণ করেন।
সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথে দুর্নীতি দমন কমিশনের ফাঁদ টিম আসামীর অফিসে উপস্থিত হয়ে নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আসামীর অফিস টেবিলের ড্রয়ার থেকে ঘুষের অর্থ উদ্ধার করে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করে।
আসামী মোঃ আশরাফুল আলম কর্তৃক ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, যশোর -এ মামলা নং– ০১, তারিখ: ০৭/০১/২০২৬ খ্রি: রুজু করা হয়েছে।