
কলকাতায় চলচ্চিত্রে এখন বেকার হলেও একটি সূত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের ছায়াবাজ নামের একটি ছবিতে নায়িকা হয়েছিলেন সায়ন্তিকা। তিনি বাংলাদেশে এসে কক্সবাজারে এক সপ্তাহ শুটিংও করেন। কিন্তু শুটিংয়ের মাঝপথেই মিথ্যা এক অজুহাত তৈরি করে কলকাতা ফিরে যান এই নায়িকা। সেখানে ফিরে গিয়ে তিনি এই ছবির প্রযোজক এবং নৃত্যপরিচালকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলেন বলে জানান ছবির প্রযোজক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ছবির প্রযোজক মনিরুল ইসলাম কিছুদিন আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন নৃত্যপরিচালক মাইকেলের কাছে ক্ষমা না চাইলে ছায়াবাজ ছবি থেকে তাকে বাদ দেবেন। জানা গেছে, প্রযোজক ইতিমধ্যে নতুন জুটি নিয়ে এই ছবির শুটিং করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জানা যায়, এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য আগস্টের শেষ দিকে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন ওখানকার নায়িকা সায়ন্তিকা। ঢাকায় নেমেই শুটিং করতে কক্সবাজারে ছুটে যান ছবির নায়ক জায়েদ খানের সঙ্গে। শুটিং চলার কয়েক দিন পরই কলকাতার এই নায়িকা নৃত্যপরিচালক মাইকেলের সঙ্গে সামান্য বিষয়ে ঝামেলা বাধান। এরপর শুটিং শেষ না করে চলে যান তিনি। এতে ছবির প্রযোজকের বিশাল আর্থিক ক্ষতি হয়।
সায়ন্তিকা বাংলাদেশ ছাড়ার পরই প্রযোজক মনিরুল ইসলাম, নায়ক জায়েদ খান ও নায়িকা সায়ন্তিকাকে নিয়ে নানা ধরনের কথা চাউর হতে থাকে। চলে অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগ। সায়ন্তিকা ও তার নায়ক জায়েদ প্রযোজক ও নৃত্যপরিচালককে নিয়ে অসম্মানজনক ও অশ্রদ্ধাপূর্ণ নানান মিথ্যাকথাও বলেন। এতে করে ছবিটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পরেছিল। কিন্তু সম্প্রতি প্রযোজক মনিরুল ইসলাম ঘোষণা দেন – সায়ন্তিকার ক্ষমা চাওয়ার সময় শেষ। তিনি নতুন নায়িকা নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করবেন। এক্ষেত্রে তিনি নায়ক জায়েদকেও বাদ দিয়ে অন্য নায়ক নেবেন।
প্রযোজক মনিরুল ইসলাম জানান, কয়েকদিনের শুটিংয়ে তার প্রায় ৩৫ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। সায়ন্তিকাকে নিয়ে তিনি আর কাজ করতে চান না। তিনি বলেন, সায়ন্তিকাকে বাদ দিয়ে তার বদলে দেশি নায়িকা নিয়ে কাজ করবো। তার এত মিথ্যাচার আর নিতে পারছি না। আমি এটি মূলত একটি ওয়েব সিরিজ বানাতে চেয়েছিলাম। জায়েদ খানের অনুরোধে পরিকল্পনা বদল করে ছবি নির্মাণ শুরু করি। কিন্তু ছবি করতে গিয়েই নায়ক – নায়িকার দ্বারা আমি ফেঁসে গেলাম। তাই আমি পরিকল্পনা করেছি, নতুন জুটি নিয়ে ছবিটি করবো, নয়তো এটি বন্ধ রেখে নতুন কোনো প্রজেক্ট করবো।