সোনালী বিকেলে -তানভীর বিন সাইদ গ্রাম বাংলার মায়া ত্যাগ করে, আমাদের পর্দার পর্ন এই বৃহত্তর শহরে। শুধু মাত্র কাল্পনিক সুখের আশায়। এই সুখের সন্ধানে ছুটতে ছুটতে, নিজেকে বইয়ের শেষ পৃষ্ঠার
লাশ -হাবিবুর রহমান বাবু একদিন থেমে যাবে নিঃশ্বাস আমি হয়ে যাব লাশ জগতে আর থাকবে না আমার বসবাস কেনা হবে কাফনের কাপড় কেনা হবে আতর কেঁদে কেঁদে কারো চোখ হয়ে
পদ্মা সেতু -হাবিবুর রহমান বাবু পদ্মা নদীর বুকে দাঁড়িয়ে আছো নিজ পায়ে আহ্ কি পরম সুখে তোমার প্রতি দেশবাসীর কত ভালোবাসা তোমায় পেরিয়ে বাড়ি যাবে অনেক মানুষের আশা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন
হাত রেখে হাতে -হাবিবুর রহমান বাবু প্রায় বারো বছর পরে তোমার সাথে সেদিন দেখা ভালো লেগেছে এটা দেখে এখনো তুমি একা ভাবলাম তুমি ডাকবে আমায় মান অভিমান ভুলে তুমি ডাকলেই
“মা” -হাবিবুর রহমান বাবু বিধাতা দিয়েছে জীবন আমায় জন্ম দিলে তুমি তুমি ছাড়া আমার ভুবন ধুধু মরুভূমি খালা ফুপি আছে যারা সবাই অনেক ভালো আমার কাছে তুমি মাগো লক্ষ চাঁদের
রমজান মাস -হাবিবুর রহমান বাবু এগারো মাস পরপর রমজান মাস আসে সারা বিশ্বের মুসলিমরা এই মাসকে ভালোবাসে দিনের বেলা খাইনা মোরা রাতের বেলা খাই রমজান মাসে রোজা রেখে মনে তৃপ্তি
তোমায় ভালোবাসি -হাবিবুর রহমান বাবু তোমায় দেখে বাজালাম যখন প্রথম প্রেমের বাঁশি বাঁশির শব্দ শুনে তুমি দিয়েছিলে হাসি তুমি আমার প্রথম প্রেমের প্রথম সর্বনাশী জ্বালাও আমায় সারাবেলা তেমনি আবার পোড়াও
আল-কুরআন -হাবিবুর রহমান বাবু বই পড়েছি এই জীবনে আমি কত শত একটি বইও পাইনি আমি তোমারি মতো সমস্যা রয়েছে যত এই বৃহৎ পৃথিবীতে সব কিছুরই সমাধান তুমি পারো দিতে পাঠিয়েছেন
লাভবান হাবিবুর রহমান বাবু হে মুসলিম শুনতে কি পাও! মসজিদে হচ্ছে আযান এসো যাই নামাজ পড়িতে নামাজ পড়িয়া হাতে তুলে লই কুরআন জীবন হবে পরিপূর্ণ পরকালেও হবো লাভবান এসো প্রতিজ্ঞা
বিচিত্র পৃথিবী -হাবিবুর রহমান বাবু বড় বিচিত্র এই পৃথিবী খুবই অদ্ভুত নিয়ম তার কারো দু’মুঠো খাবার জোটে না কারো আছে সম্পদের পাহাড় ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী কাতর এ কথা সর্বলোকে বলে